রেস্টুরেন্ট রেসিপি
কমার্শিয়াল আলু ভাজির রেসিপি
প্রায় ৪০ প্লেট নাশতার জন্য ৫ kg আলুর কমার্শিয়াল আলু ভাজি, সঙ্গে সমান কাটিং, সকালের ব্যস্ত সময়ে দ্রুত রান্না, হট হোল্ডিং ও yield নিয়ন্ত্রণের নির্দিষ্ট পদ্ধতি।

- প্রস্তুতি
- ৩০ মিনিট
- রান্না
- ৪৫ মিনিট
- মোট
- ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট
- পরিমাণ
- প্রায় ৪০ প্লেট
- কঠিনতা
- সহজ
- ধরন
- Bangladeshi
প্রণালী
- 1
আলু পরীক্ষা করে ধুয়ে নিন
ব্যাচের ওজন নেওয়ার আগে সবুজ, অঙ্কুর বের হওয়া, পচা বা বেশি থেঁতলানো আলু বাদ দিন। ২৫°C-এর কম তাপমাত্রার নিরাপদ পানিতে ৩ থেকে ৫ মিনিট ধুয়ে দৃশ্যমান মাটি সম্পূর্ণ সরান। প্রস্তুতির টেবিল পরিষ্কার ও নিয়ন্ত্রিত রাখতে খোসা ছাড়ানোর আগে পানি ঝরিয়ে নিন।
- 2
খোসা ছাড়িয়ে সমানভাবে কাটুন
পাতলা করে খোসা ছাড়িয়ে আলু ৮ থেকে ১০ mm মোটা এবং ৪০ থেকে ৫০ mm লম্বা স্টিক করে কাটুন। ২০ মিনিটের মধ্যে কাটিং শেষ করুন এবং কালচে হওয়া ঠেকাতে কাটা টুকরা পরিষ্কার ঠান্ডা পানিতে রাখুন। সব টুকরা সমান দেখাতে হবে এবং সহজে ভেঙে যায় এমন অতিরিক্ত পাতলা মাথা রাখা যাবে না।
- 3
একবার ধুয়ে ভালোভাবে পানি ঝরান
কাটা আলু ঠান্ডা নিরাপদ পানিতে একবার ধুয়ে বড় ঝাঁঝরিতে ১০ মিনিট পানি ঝরান। ৩০ মিনিটের মধ্যে রান্না না করলে ৫°C-এর নিচে রাখুন। ঝাঁঝরি থেকে পানি পড়া বন্ধ হলে এবং আলুর গা ভেজা না থেকে শুধু স্যাঁতসেঁতে থাকলে রান্নার জন্য প্রস্তুত।
- 4
তেল ও মসলা গরম করুন
মাঝারি থেকে বেশি আঁচে কড়াই গরম করে তেলের তাপমাত্রা প্রায় ১৬৫ থেকে ১৭৫°C করুন। শুকনা মরিচ ও পাঁচফোড়ন দিয়ে ২০ থেকে ৩০ সেকেন্ড ভাজুন। দানা ফুটে সুগন্ধ বের হবে, তবে কালো হওয়া যাবে না।
- 5
পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচ নরম করুন
স্লাইস করা পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচ দিয়ে ১৫০ থেকে ১৬০°C তাপমাত্রায় ৫ থেকে ৭ মিনিট রান্না করুন। পেঁয়াজ সমানভাবে নরম করতে প্রতি মিনিটে নাড়ুন। পেঁয়াজ স্বচ্ছ হয়ে কয়েকটি কিনারা হালকা সোনালি হলে থামুন, গাঢ় বাদামি করবেন না।
- 6
আলুতে মসলা মাখিয়ে নিন
পানি ঝরানো আলু, হলুদ ও লবণ দিন। একটি ৬০ cm কড়াই ব্যবহার করুন অথবা সব উপকরণ দুটি ছোট প্যানে সমানভাবে ভাগ করুন। মাঝারি থেকে বেশি আঁচে ঢাকনা ছাড়া ৫ মিনিট রান্না করুন এবং প্রতি ৬০ থেকে ৯০ সেকেন্ড পর নিচ থেকে তুলে উল্টে দিন। প্রতিটি আলুর স্টিকে পাতলা হলুদ প্রলেপ থাকতে হবে এবং প্যান থেকে ভেজা ফুটন্ত শব্দের বদলে স্থির ভাজার শব্দ আসতে হবে।
- 7
ঢেকে অল্প ভাপে রান্না করুন
কড়াইয়ের কিনারা দিয়ে গরম পানি ঢেলে সঙ্গে সঙ্গে ঢাকনা দিন। আঁচ কমিয়ে প্যানের ভেতর প্রায় ৯৫ থেকে ১০০°C তাপমাত্রায় মৃদু ভাপ বজায় রাখুন। ১২ থেকে ১৫ মিনিট রান্না করুন এবং প্রতি ৪ থেকে ৫ মিনিট পর সাবধানে উল্টে দিন। আলু প্রায় নরম হবে, তবে সোজা আকার ধরে রাখবে।
- 8
শুকিয়ে ভাজি শেষ করুন
ঢাকনা খুলে মাঝারি থেকে বেশি আঁচে ১০ থেকে ১২ মিনিট রান্না করুন। প্রতি ২ থেকে ৩ মিনিট পর চওড়া খুন্তি দিয়ে উল্টে দিন, যতক্ষণ না দৃশ্যমান আর্দ্রতা শুকায় এবং কয়েকটি কিনারা হালকা সোনালি হয়। সবচেয়ে বড় টুকরা পরীক্ষা করুন। ছোট ছুরি বাধা ছাড়া ঢুকতে হবে এবং ভেতর থেকে গরম ভাপ বের হতে হবে।
- 9
ধনেপাতা দিয়ে হোল্ডিংয়ে নিন
ধনেপাতা দিয়ে ৩০ সেকেন্ড আলতোভাবে মিশিয়ে চুলা বন্ধ করুন এবং ঢাকনা ছাড়া ৩ মিনিট বিশ্রাম দিন। গরম অবস্থায় তৈরি ব্যাচের ওজন নিন এবং অগভীর হোল্ডিং প্যানে স্থানান্তর করুন। ৬০°C বা তার বেশি তাপমাত্রায় রাখুন। ভাজি চাপা বা পানিযুক্ত না হয়ে ঝরঝরে ও আলাদা থাকতে হবে।
রান্নাঘরের জন্য নোট
কমার্শিয়ালভাবে আলু ভাজি কেন কার্যকর
আলু ভাজি কম খরচের, পরিচিত এবং পরোটা, রুটি, ডাল বা ডিমের সঙ্গে সহজে পরিবেশন করা যায় বলে এটি নাশতার উপযোগী কমার্শিয়াল সাইড ডিশ। স্বাদ হালকা হওয়ায় বেশির ভাগ ক্রেতা এটি গ্রহণ করেন, আর কাঁচামরিচ, পাঁচফোড়ন ও ধনেপাতা পরিচিত বাংলাদেশি স্বাদ বজায় রাখে। একটি মূল প্যানেই রান্না করা যায় এবং সকালের ব্যস্ততা শুরুর আগে প্রস্তুত রাখা সম্ভব।
এখানে প্রধান কমার্শিয়াল ঝুঁকি হলো একেক ব্যাচে একেক রকম ফল পাওয়া। অসমান আলুর টুকরার কিছু অংশ ভেতরে কাঁচা থাকে, আবার ছোট অংশ ভেঙে মাখা হয়ে যায়। অতিরিক্ত তেল ব্যবহার করলে কম খরচের এই সাইড ডিশের খরচ অকারণে বেড়ে যায়। ৫ kg আলু দিয়ে এই ব্যাচে খোসা ও ট্রিমিংয়ের অপচয় এবং রান্নার সময় অনুযায়ী প্রায় ৪.৫ থেকে ৪.৮ kg তৈরি আলু ভাজি পাওয়া যায়।
আলু ও অন্যান্য উপকরণ বাছাই
পরিণত, শক্ত এবং মাঝারি স্টার্চের আলু ব্যবহার করলে আলুর আকার ঠিক রেখে দ্রুত নরম করা যায়। সবুজ, অঙ্কুর বের হওয়া, ভেজা, পচা বা বেশি থেঁতলানো আলু নেবেন না। খুব কম স্টার্চের আলু শক্ত থাকে এবং মসলা ধরতে সময় নেয়, আবার অতিরিক্ত ঝুরঝুরে আলু বারবার নাড়লে ভেঙে যেতে পারে।
খোসা ছাড়ানো ও ট্রিমিংয়ের অপচয় অনুমানযোগ্য রাখতে কাছাকাছি আকারের আলু কিনুন। খুব ছোট আলুতে খোসা ছাড়ানোর শ্রম ও অপচয় বেশি হয়। অতিরিক্ত বড় আলুর ভেতরে কখনো ফাঁপা বা বিবর্ণ অংশ থাকতে পারে। নতুন সরবরাহকারীর বড় চালান নেওয়ার আগে কয়েকটি আলু কেটে ভেতর পরীক্ষা করুন।
তেলের মান ভালো থাকা জরুরি, কারণ পুরোনো বা অতিরিক্ত গরম করা তেল পুরো ব্যাচে বাসি গন্ধ তৈরি করে। পেঁয়াজের মান মিষ্টতা ও তৈরি পণ্যের yield-এ প্রভাব ফেলে, তবে দামি বড় পেঁয়াজের প্রয়োজন নেই। ভেজা পচন ছাড়া শক্ত পেঁয়াজ ব্যবহার করুন। পাঁচফোড়নে তাজা সুগন্ধ থাকতে হবে। ধুলোমাখা ও গন্ধহীন মসলা বেশি দিলেও ভালো ফল পাওয়া যায় না।
সমানভাবে রান্নার জন্য আলু কাটা
ব্যাচ আলু ভাজির জন্য আলু ৮ থেকে ১০ mm মোটা এবং ৪০ থেকে ৫০ mm লম্বা সমান স্টিক করে কাটতে হবে। এর চেয়ে পাতলা টুকরা নাড়াচাড়া ও হোল্ডিংয়ের সময় ভেঙে যায়। মোটা টুকরা রান্না হতে বেশি সময় নেয় এবং বাইরের অংশ রং ধরলেও ভেতর শক্ত থাকতে পারে।
ধারালো ছুরি, কমার্শিয়াল ভেজিটেবল কাটার বা সঠিক ব্লেডের ম্যানুয়াল চিপ কাটার ব্যবহার করুন। সব বাবুর্চির জন্য একটি নির্দিষ্ট কাটিং পদ্ধতি ঠিক রাখুন। কাটা আলু একবার ধুয়ে ওপরের আলগা স্টার্চ সরিয়ে ভালোভাবে পানি ঝরান। বারবার ধুলে প্রয়োজনীয় স্টার্চ কমে যায়, আর ভেজা আলু প্যানের তাপমাত্রা নামিয়ে দেয়।
খোসা ছাড়ানো আলু বাতাসে খোলা রাখবেন না, কারণ রং কালচে হয়ে যায়। আগে থেকে প্রস্তুত করলে পরিষ্কার ঠান্ডা পানিতে ডুবিয়ে ৫°C বা তার নিচে রাখুন, তারপর রান্নার আগে অন্তত ১০ মিনিট পানি ঝরান। একই সার্ভিসে ব্যবহার করা আলু অকারণে দীর্ঘ সময় ভিজিয়ে রাখবেন না।
ঝরঝরে আলু ভাজির রান্নার কৌশল
ভালো আলু ভাজির জন্য প্রথমে নিয়ন্ত্রিত ভাপে আলু সেদ্ধ করতে হবে, তারপর ঢাকনা খুলে ভেজে আর্দ্রতা শুকাতে হবে। কাঁচা আলু শুধু তেলে ভাজলে অনেক তেল লাগে এবং সারাক্ষণ নজর রাখতে হয়। আলাদা করে সেদ্ধ করলে পানি বাড়ে, কাজের ধাপ বেশি হয় এবং আলু ভাঙার আশঙ্কা থাকে।
চওড়া প্যান পুরোপুরি গরম করে শুরু করুন, যাতে মসলা ঠান্ডা তেলে ভিজে না থেকে সঙ্গে সঙ্গে ফুটে সুগন্ধ ছাড়ে। পেঁয়াজ শুধু নরম ও হালকা রং হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। বেশি বাদামি করলে পরের রান্নার সময় পুড়ে যেতে পারে। আলু দেওয়ার পর অল্প মাপা পানি যোগ করার আগে প্রতিটি টুকরায় মসলাযুক্ত তেলের প্রলেপ দিন।
ঢেকে রান্নার সময় আটকে থাকা ভাপে আলুর ভেতর নরম হয়। খুন্তি দিয়ে কেটে না নেড়ে নিচ থেকে তুলে উল্টে দিন। ঢাকনা খোলার পর আর্দ্রতা শুকিয়ে কয়েকটি কিনারা সোনালি হতে হবে। তৈরি আলুতে ছোট ছুরি সহজে ঢুকবে, কিন্তু খুন্তিতে তুললে ভেঙে ঝুরঝুরে হবে না।
সঠিকভাবে ব্যাচ বড় বা ছোট করা
উপকরণ ওজন অনুযায়ী বাড়াতে হবে, কিন্তু প্যানের জায়গা ও প্রতিবারের রান্নার লোড আলাদাভাবে হিসাব করতে হবে। দ্বিগুণ উপকরণ একটি কড়াইয়ে ভরে দিলে মূল রেসিপির মতো রান্না হবে না। গভীর স্তরে ধীরে ভাপ হয়, বেশি নাড়তে হয় এবং মাঝের আলু সেদ্ধ হওয়ার আগেই ওপরের অংশ ভেঙে যেতে পারে।
প্যানে আলুর স্তর প্রায় ৬ থেকে ৭ cm-এর বেশি গভীর করবেন না। ৫ kg ব্যাচের জন্য একটি ৬০ cm ভারী কড়াই অথবা একসঙ্গে দুটি ৪৫ cm প্যান ব্যবহার করুন। অর্ধেক ব্যাচে ৪০ থেকে ৪৫ cm প্যান যথেষ্ট। তবে পানি সতর্কভাবে কমাতে হবে, কারণ অগভীর ব্যাচ দ্রুত গরম হয় এবং তাড়াতাড়ি রান্না হতে পারে।
পরীক্ষায় নির্দিষ্ট আলুতে কম তেল প্রয়োজন প্রমাণিত না হলে প্রতি kg কাঁচা আলুর জন্য প্রায় ৫০ থেকে ৬০ ml তেল রাখুন। পানি শুধু নিয়ন্ত্রিত ভাপ তৈরির জন্য, ঝোল বানানোর জন্য নয়। প্রতিটি আলু সরবরাহকারীর চালান থেকে পাওয়া তৈরি ভাজির প্রকৃত ওজন লিখে রাখুন এবং সঠিক রেসিপি কস্টিং-এর মাধ্যমে তুলনা করুন।
সার্ভিসের জন্য হোল্ডিং ও পুনরায় গরম করা
রান্না করা আলু ভাজি ৬০°C বা তার বেশি তাপমাত্রায় রাখুন এবং ভালো টেক্সচারের জন্য দুই ঘণ্টার মধ্যে বিক্রির পরিকল্পনা করুন। ঢাকনাযুক্ত হট-হোল্ডিং প্যান ব্যবহার করুন, তবে বাষ্প বের হওয়ার জন্য সামান্য ফাঁক রাখুন, যাতে ঘনীভূত পানি আলুর ওপর বেশি না পড়ে। গভীর পাত্রে নিচের স্তর চাপে বসে যায়, তাই ৮ cm-এর বেশি গভীর প্যান ব্যবহার করবেন না।
প্রতি ২০ থেকে ৩০ মিনিট পর আলতোভাবে নাড়ুন এবং পরিষ্কার প্রোব দিয়ে মাঝের তাপমাত্রা পরীক্ষা করুন। পুনরায় গরম করা ছাড়া হোল্ডিংয়ের সময় পানি দেবেন না, কারণ এতে আলুর ওপরের অংশ আঠালো হয়। তাপমাত্রা ঠিক থাকলেও হট হোল্ডিং সর্বোচ্চ চার ঘণ্টায় সীমিত রাখুন। সময় বাড়লে টেক্সচার ও গন্ধ কমতে থাকে।
পরিকল্পিতভাবে বেঁচে যাওয়া ভাজি রাখার প্রয়োজন হলে অগভীর ট্রেতে ৬০°C থেকে ২১°C তাপমাত্রায় দুই ঘণ্টার মধ্যে এবং ২১°C থেকে ৫°C তাপমাত্রায় পরের চার ঘণ্টার মধ্যে ঠান্ডা করুন। ঢেকে রেফ্রিজারেটরে রাখুন এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবহার করুন। ছোট ব্যাচে শুধু একবার পুনরায় গরম করুন, মাঝের তাপমাত্রা অন্তত ৭৪°C করুন, তারপর ৬০°C-এর বেশি তাপমাত্রায় হট হোল্ডিংয়ে রাখুন।
পরশন ও yield নিয়ন্ত্রণ
নাশতার সাইড ডিশ হিসেবে প্রতি পরশন ১০৫ থেকে ১১০ g রাখলে সামান্য উৎপাদন মার্জিনসহ প্রায় ৪০টি বিক্রিযোগ্য প্লেট পাওয়া যায়। সার্ভিস কাউন্টারে একই লাডল, পরশন স্পুন বা ডিজিটাল স্কেল ব্যবহার করুন। উঁচু করে ভরা এক চামচ নির্ভরযোগ্য মাপ নয়, কারণ আলুর কাটিং ও সার্ভারভেদে পরিমাণ বদলে যায়।
প্রস্তুতির অপচয় মাপতে খোসা ছাড়ানো আলুর ওজন নিন, তারপর সার্ভিসের আগে সম্পূর্ণ রান্না করা ব্যাচের ওজন নিন। ভালো আলু ব্যবহার করলে খোসা ও ট্রিমিংয়ের অপচয় সাধারণত প্রায় ১০ শতাংশ বা তার কম থাকা উচিত। এর বেশি হলে কাঁচামালের মান খারাপ, অতিরিক্ত গভীর করে খোসা ছাড়ানো বা প্রস্তুতি কর্মীর প্রশিক্ষণের ঘাটতি থাকতে পারে।
কর্মীদের খাবার, complimentary পরশন এবং হোল্ডিং শেষে ফেলে দেওয়া খাবার বিক্রি থেকে আলাদাভাবে রেকর্ড করুন। Rosuii-এর productions ফিচারে কাঁচামাল থেকে তৈরি আলু ভাজির ব্যাচ রেকর্ড করা যায়। Wastage ও item sales-এর রেকর্ড yield-এর পার্থক্য ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করে। লিখিত পরশন কন্ট্রোল মানদণ্ড কম দামের সাইড ডিশের কারণে নাশতার মার্জিন কমে যাওয়া ঠেকায়।
যেসব ভুলে খরচ বাড়ে
আলু ভাজিতে সবচেয়ে বেশি খরচ বাড়ায় অতিরিক্ত খোসা ছাড়ানো, প্যানে বেশি আলু ভরা, মাপ ছাড়া তেল দেওয়া এবং চাহিদার চেয়ে বেশি রান্না করা। প্যানে অতিরিক্ত আলু দিলে রান্নার সময় ও শ্রম বাড়ে। জোরে নাড়লে বিক্রিযোগ্য আলুর স্টিক ভেঙে তেলতেলে মাখা হয়ে যায়। আলু আটকানো বন্ধ করতে বাড়তি তেল দেওয়া সাধারণত ঠান্ডা প্যান, দুর্বল মসলার স্তর বা অনুপযুক্ত প্যানের সমস্যা ঢেকে রাখে।
- অসমান কাটিং: বড় টুকরা নরম হওয়ার আগেই ছোট টুকরা ভেঙে যায়।
- পানি ঠিকমতো না ঝরানো: আলুর গায়ের পানি তেলের তাপ কমিয়ে ব্যাচ নরম ও ভেজা করে।
- অতিরিক্ত পানি: আলু অসমানভাবে পানি শোষণ করে এবং ভাজা টেক্সচার হারায়।
- শেষে বেশি আঁচ: আর্দ্রতা শুকানোর আগেই মসলা ও পেঁয়াজ পুড়ে যায়।
- দীর্ঘ সময় হোল্ডিং: ঘনীভূত পানি আলু নরম করে এবং ধনেপাতার তাজা গন্ধ নষ্ট হয়।
- বেঁচে যাওয়া খাবার রেকর্ড না করা: বিক্রি না হওয়া খাবার ফেলে দিলেও উৎপাদন লাভজনক মনে হয়।
চাহিদা অনিশ্চিত হলে শুরুতে ছোট ব্যাচ রান্না করুন, তারপর পরের ব্যস্ত সময়ের জন্য দ্বিতীয় ব্যাচ তৈরি করুন। পুরো সকাল একটি বড় ব্যাচ হোল্ডিংয়ে রাখার চেয়ে এই পদ্ধতিতে মান ভালো থাকে এবং পরিকল্পিতভাবে খাবারের অপচয় কমানো সহজ হয়।
ফুড কস্ট স্থিতিশীল রাখা
সবচেয়ে সস্তা ক্ষতিগ্রস্ত আলু কেনার বদলে আলুর ব্যবহারযোগ্য yield, তেলের পরিমাণ ও পরশন ওজন নিয়ন্ত্রণ করলে আলু ভাজির খরচ স্থিতিশীল থাকে। শুধু বস্তার ওজন দিয়ে নয়, খোসা ছাড়ানোর পর ব্যবহারযোগ্য আলুর yield দিয়ে সরবরাহকারী তুলনা করুন। পচা অংশ, সবুজ জায়গা বা গভীর চোখযুক্ত সস্তা আলুতে অপচয় ও শ্রম বেশি হতে পারে।
বড় পাত্র থেকে সরাসরি ঢালার বদলে বাবুর্চিকে মেপে তেল দিন। আগের নাশতার বিক্রির তথ্য থেকে দৈনিক production forecast তৈরি করুন এবং পরিকল্পিত ব্যাচে আলু প্রস্তুত করুন। কাঁচা আলুর ওজন, খোসা ছাড়ানো ওজন, রান্নার পর yield, বিক্রি হওয়া পরশন ও বেঁচে যাওয়া খাবারের সহজ রেকর্ড রাখুন। এসব তথ্য থেকে সমস্যা ক্রয়, প্রস্তুতি, রান্না নাকি সার্ভিসে হচ্ছে তা বোঝা যায়।
খরচ কোথায় বাড়ে
উপকরণের খরচে আলুর অংশ সবচেয়ে বেশি, এরপর সয়াবিন তেল ও পেঁয়াজ। আলুর মৌসুম, সরবরাহকারীর গ্রেড, খোসা ও ট্রিমিংয়ের অপচয়, তেল শোষণ এবং পরশন ওজন তৈরি পণ্যের খরচে সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন আনে।
বাজারদর ওঠানামা করে, তাই এখানে টাকার অঙ্ক না দিয়ে খরচ কীসে বাড়ে-কমে সেটা বলা হয়েছে।
রান্নাঘর থেকে আসা প্রশ্ন
৮০ প্লেটের জন্য এই আলু ভাজির রেসিপি কি দ্বিগুণ করা যাবে?
নাশতার সার্ভিসে আলু ভাজি কতক্ষণ হোল্ডিংয়ে রাখা যাবে?
সয়াবিন তেলের বদলে সরিষার তেল ব্যবহার করা যাবে?
রান্না করা আলু ভাজি রেফ্রিজারেটরে কতক্ষণ রাখা যায়?
এই ব্যাচ থেকে ৪০টির কম পরশন পাওয়ার কারণ কী?
সম্পর্কিত রেসিপি
কমার্শিয়াল বিফ ভুনা রেসিপি
প্রায় ৪০ প্লেটের কমার্শিয়াল বিফ ভুনা রেসিপি, যেখানে দীর্ঘ সময় কষানো, তেল ছাড়ার স্পষ্ট লক্ষণ, নির্দিষ্ট পরিমাণে পরিবেশন ও নিরাপদ রিহিটিং দেখানো হয়েছে।
- পরিমাণ:
- প্রায় ৪০ প্লেট
- মোট:
- ৪ ঘণ্টা ১৫ মিনিট
- কঠিনতা:
- মাঝারি
কমার্শিয়াল বিফ কালিয়া রেসিপি
প্রায় ৪০ প্লেটের কমার্শিয়াল বিফ কালিয়া রেসিপি, যাতে আছে নরম হাড়সহ গরুর মাংস, ঘি-সমৃদ্ধ উৎসবের গ্রেভি, নিয়ন্ত্রিত পরশন এবং সার্ভিস নির্দেশনা।
- পরিমাণ:
- প্রায় ৪০ প্লেট
- মোট:
- ৪ ঘণ্টা
- কঠিনতা:
- মাঝারি
কমার্শিয়াল ভুনা খিচুড়ি রেসিপি
প্রায় ৪০ প্লেটের কমার্শিয়াল ভুনা খিচুড়ি রেসিপি, যেখানে চাল ও ডালের অনুপাত ২:১ এবং পানির নিয়ন্ত্রণ, সার্ভিস হোল্ডিং ও চূড়ান্ত ইল্ডের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
- পরিমাণ:
- প্রায় ৪০ প্লেট
- মোট:
- ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট
- কঠিনতা:
- মাঝারি
রসুই দিয়ে আপনার রেস্টুরেন্ট চালান
পিওএস, মেনু, ইনভেন্টরি, পে-রোল এবং আরও অনেক কিছু — বাংলাদেশের রেস্টুরেন্টের জন্য তৈরি।
শুরু করুন

