রেস্টুরেন্ট রেসিপি
কমার্শিয়াল গার্লিক ব্রেড রেসিপি
৪০ প্লেটের জন্য ওজন করা বাল্ক স্প্রেড, আগাম ট্রে প্রস্তুতি, দ্রুত কনভেকশন বেকিং এবং সার্ভিসের বাস্তব নিয়ন্ত্রণসহ একটি কমার্শিয়াল গার্লিক ব্রেড রেসিপি।

- প্রস্তুতি
- ৩০ মিনিট
- রান্না
- ৪৫ মিনিট
- মোট
- ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট
- পরিমাণ
- প্রায় ৪০ প্লেট, প্রতি প্লেটে ৫ পিস
- কঠিনতা
- সহজ
- ধরন
- Continental
প্রণালী
- 1
বাটার সঠিকভাবে নরম করুন
কিচেনের তাপমাত্রা অনুযায়ী বাটার ২০ থেকে ৩০ মিনিট রেখে ১৮°C থেকে ২০°C তাপমাত্রায় আনুন। আঙুলের চাপে সহজে দেবে যাবে, কিন্তু তেলতেলে বা গলানো দেখাবে না। বড় ব্লক ছোট টুকরায় কাটলে সমানভাবে নরম হবে।
- 2
টাটকা রসুন প্রস্তুত করুন
খোসা ছাড়ানো ব্যবহারযোগ্য রসুন ৩০০ গ্রাম ওজন করুন, তারপর পানির মতো পেস্ট না করে মিহি কুচি করুন। সবুজ অঙ্কুর থাকলে ফেলে দিন, কারণ এতে তিতা স্বাদ হতে পারে। মেশাতে ১৫ মিনিটের বেশি দেরি হলে প্রস্তুত রসুন ঠান্ডায় রাখুন।
- 3
গার্লিক বাটার মেশান
নরম বাটার প্ল্যানেটারি মিক্সারে দিয়ে প্যাডল কম গতিতে ৩০ সেকেন্ড চালান। ধীরে ধীরে রসুন ও সয়াবিন তেল দিয়ে আরও ১ মিনিট মেশান। বোল ও প্যাডল স্ক্র্যাপ করুন, যাতে নিচে সাদা বাটার জমে না থাকে।
- 4
শেষ সিজনিং যোগ করুন
পার্সলে, লবণ, গোলমরিচের গুঁড়া ও অরিগানো দিয়ে কম গতিতে ১ থেকে ২ মিনিট মেশান। বাটারের মধ্যে দৃশ্যমান বাতাস না ঢুকিয়ে হার্বস ও রসুন সমানভাবে ছড়িয়ে গেলে মিক্সার বন্ধ করুন। সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহার না করলে প্রস্তুত স্প্রেড ৫°C বা এর নিচে রাখুন।
- 5
ব্রেড সমান পিসে কাটুন
প্রতিটি ব্যাগেট প্রায় ২ সেমি পুরু সমান ১০টি স্লাইসে কাটুন। ছুরির কোণ একই রাখুন, যাতে প্রতিটি পিসের ওপরের জায়গা কাছাকাছি হয় এবং একই গতিতে বেক হয়। চাপা বা ছোট পিস আলাদা করে উৎপাদন লস হিসেবে রেকর্ড করুন।
- 6
প্রতি পিসের স্প্রেড ওজন করুন
প্রতিটি পিসের কাটা পাশে ১০ গ্রাম গার্লিক বাটার লাগিয়ে কিনারা পর্যন্ত ছড়িয়ে দিন, তবে ব্রেড চেপে বসাবেন না। প্রথম ১০টি পিস ডিজিটাল স্কেলে যাচাই করুন এবং উৎপাদনের মাঝেও নমুনা ওজন নিন। পুরো ওপরের অংশ কোটেড থাকবে, কিন্তু কোথাও বাটারের মোটা দলা থাকবে না।
- 7
ট্রে লোড করে ঠান্ডায় রাখুন
প্রতিটি ফুল-সাইজ ট্রেতে ৪০ পিস এক স্তরে সাজান এবং বাতাস চলাচলের জন্য সামান্য ফাঁকা রাখুন। পরে বেক করলে ট্রে ঢেকে ৫°C বা এর নিচে রেফ্রিজারেট করুন। প্রস্তুত ট্রে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবহার করুন এবং গরম ওভেনের পাশে কখনো রাখবেন না।
- 8
হালকা মচমচে হওয়া পর্যন্ত বেক করুন
কনভেকশন ওভেন ২০০°C তাপমাত্রায় প্রিহিট করে পরীক্ষিত প্রতিটি লোড ৬ থেকে ৮ মিনিট বেক করুন। ওভেনে নির্দিষ্ট হট স্পট থাকলেই শুধু ট্রে ঘোরান। বাটার সিজল করবে, কিনারা সোনালি হবে এবং মাঝের অংশ সামান্য নরম থাকবে।
- 9
তাৎক্ষণিক সার্ভিসের জন্য পোরশন করুন
অতিরিক্ত বাষ্প বের হওয়ার জন্য ব্রেড ১ মিনিট র্যাকে রাখুন। প্রতি সার্ভিংয়ে ৫ পিস প্লেট করুন এবং সেরা মানের জন্য ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে বিক্রি করুন। প্রয়োজন হলে একবার ১৮০°C তাপমাত্রায় ২ থেকে ৩ মিনিট রিহিট করুন, তারপর আরও অবশিষ্ট থাকলে কিচেনের ওয়েস্টেজ পদ্ধতি অনুযায়ী ফেলে দিন।
রান্নাঘরের জন্য নোট
এই গার্লিক ব্রেড রেসিপিতে ২০০ পিস হবে, প্রতি সার্ভিংয়ে ৫ পিস ধরে যা প্রায় ৪০ প্লেটের জন্য যথেষ্ট। এই ব্যাচে ২০টি ব্যাগেট এবং প্রায় ২ kg প্রস্তুত গার্লিক বাটার ব্যবহার করা হয়েছে। উৎপাদনের সময় হিসাব করা হয়েছে একটি কমার্শিয়াল কনভেকশন ওভেন, পাঁচটি ফুল-সাইজ ট্রে এবং সার্ভিসের সময় ধাপে ধাপে ট্রে লোড করার ভিত্তিতে।
কমার্শিয়ালভাবে গার্লিক ব্রেড কার্যকর কেন
গার্লিক ব্রেড রেস্টুরেন্ট বা ফুড কার্টের সাইড হিসেবে কার্যকর, কারণ এটি দ্রুত ফিনিশ করা যায়, সহজে নির্দিষ্ট পোরশন দেওয়া যায় এবং পাস্তা, স্যুপ, গ্রিল আইটেম ও ক্যাফে মেনুর সঙ্গে মানিয়ে যায়। বেশির ভাগ প্রস্তুতির কাজ সার্ভিসের আগেই শেষ করা যায়। অর্ডারের চাপের সময় কিচেনকে শুধু প্রস্তুত ট্রে ওভেনে দিতে, বেক করতে এবং নির্ধারিত পোরশন প্লেটে তুলতে হয়। ব্রেডের স্পেসিফিকেশন, স্প্রেডের ওজন এবং কমপ্লিমেন্টারি সার্ভিং নিয়ন্ত্রণে থাকলে মার্জিন ভালো থাকতে পারে। কুকরা আন্দাজে বাটার লাগালে, পোরশন একেকবার একেক রকম হলে বা চাহিদার চেয়ে বেশি বেক করলে লাভ কমে যায়।
উপকরণ নির্বাচন ও মান নিয়ন্ত্রণ
সাজানোর হার্বসের চেয়ে ব্রেডের গঠন, বাটারের স্বাদ এবং টাটকা রসুনের মান বেশি গুরুত্বপূর্ণ। লিখিত স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী উপকরণ কিনুন, যাতে সাপ্লায়ার বদলালে ইল্ড বা বেকিংয়ের সময় বদলে না যায়।
একই মানের ব্রেড নির্বাচন
উপযুক্ত ব্যাগেটের ক্রাস্ট শক্ত, ভেতরের গঠন সমান এবং ১০ গ্রাম স্প্রেড ধরে রাখার মতো যথেষ্ট চওড়া হওয়া দরকার। অতিরিক্ত ফাঁপা ব্রেডে স্প্রেড লাগানোর সময় ছিঁড়ে যায় এবং বেশি ফ্যাট শুষে নেয়। খুব ঘন ব্রেড বেক করার পর ভারী থাকে। প্রতিটি লোফের ওজন প্রায় ২৫০ গ্রাম নির্ধারণ করুন এবং চাপা, স্যাঁতসেঁতে বা অসমভাবে বেক হওয়া স্টক বাদ দিন। এক দিনের পুরোনো ব্রেড পরিষ্কার, না-কাটা এবং কিনারায় শুকনো ফাটলমুক্ত থাকলে ব্যবহার করা যায়।
গার্লিক বাটারের বেস নির্বাচন
মূল স্বাদ আসে বাটার থেকে, আর অল্প নিউট্রাল সয়াবিন তেল দিলে ঠান্ডা স্প্রেডও সহজে লাগানো যায়। আনসল্টেড বাটার ব্যবহার করুন, যাতে কিচেন থেকে লবণ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বাটারে পরিষ্কার দুধের ঘ্রাণ থাকতে হবে, ফ্রিজের বাসি গন্ধ থাকা যাবে না। টাটকা রসুন শক্ত হতে হবে এবং এতে অঙ্কুর, ছাঁচ বা নরম বাদামি অংশ থাকা যাবে না। মেশানোর ঠিক আগে রসুন কুচি করুন, কারণ আগে থেকে কুচি করা রসুনে কড়া স্বাদ তৈরি হয়। পার্সলে ব্যবহার করলে সবচেয়ে পরিচিত কন্টিনেন্টাল লুক পাওয়া যায়। তবে পার্সলের সরবরাহ অনিয়মিত হলে পরিষ্কার ও সম্পূর্ণ শুকনো ধনেপাতা ব্যবহার করা যায়।
বাল্ক গার্লিক বাটার তৈরির কৌশল
বাল্ক গার্লিক বাটার নরম অবস্থায় মেশাতে হবে, কিন্তু বাটার কখনোই গলানো যাবে না। বাটার ১৮°C থেকে ২০°C তাপমাত্রায় রাখুন, যতক্ষণ না আঙুলের চাপে সহজে দেবে যায় কিন্তু নিজের আকার ধরে রাখে। গলানো বাটার আলাদা হয়ে ব্রেডের ভেতর দিয়ে নেমে যায় এবং সমান কোটিংয়ের বদলে ট্রে তেলতেলে করে।
প্ল্যানেটারি মিক্সারের প্যাডল অ্যাটাচমেন্ট কম গতিতে চালান। বেশি গতিতে হুইপ করলে অতিরিক্ত বাতাস ঢুকে যায়, ফলে এক চামচ দেখতে ঠিক পোরশনের মতো হলেও ওজনে বাটার কম থাকে। হার্বসের আগে মিহি রসুন দিন, যাতে পুরো ফ্যাটের মধ্যে সমানভাবে ছড়িয়ে যায়। রং ও রসুনের কণা সমানভাবে মিশে গেলে বন্ধ করুন, সাধারণত ২ থেকে ৩ মিনিট লাগে। মেশানোর সময় একবার বোল ও প্যাডল স্ক্র্যাপ করুন। প্রস্তুত স্প্রেডের মোট ওজন লিখে রাখুন এবং বোল ও সরঞ্জামে লেগে থাকা সামান্য অংশকেই শুধু প্রসেস লস হিসেবে ধরুন।
নিরাপদভাবে ব্যাচের পরিমাণ পরিবর্তন
আনুমানিক লোফের সংখ্যা দিয়ে নয়, প্রতি স্লাইসে স্প্রেডের ওজন ধরে এই রেসিপি স্কেল করতে হবে। অপারেটিং স্ট্যান্ডার্ড হলো সমানভাবে কাটা প্রতি পিসে ১০ গ্রাম স্প্রেড। ১০০ পিসের জন্য বোলের স্বাভাবিক লস বাদ দিয়ে ইস্যু করার মতো ১ kg মিশ্রণ প্রস্তুত করুন। ৪০০ পিসের জন্য প্রতিটি উপকরণ ওজন অনুযায়ী দ্বিগুণ করুন এবং বড় ব্যাচ মিক্সারের নিরাপদ ধারণক্ষমতার বেশি হলে দুই লোডে মেশান।
উপকরণের সঙ্গে একই হারে ওভেনের ধারণক্ষমতা বাড়ে না। অতিরিক্ত ট্রে দিলে বাতাস চলাচল বাধাগ্রস্ত হয় এবং বেকিংয়ে কয়েক মিনিট বেশি লাগতে পারে। এতে প্রথম দিকের ট্রে শুকিয়ে যায়, আর পরের ট্রেগুলো অপেক্ষায় থাকে। লোফের আকার, ট্রের ধরন বা ওভেন বদলালে টেস্ট লোড চালান। ছোট ব্যাচের সিজনিং মাপতে অন্তত ১ গ্রাম নির্ভুল ডিজিটাল স্কেল ব্যবহার করুন, কারণ চামচের মাপ তখন নির্ভরযোগ্য থাকে না।
সার্ভিসের আগে ট্রে প্রস্তুতি
প্রস্তুত গার্লিক ব্রেড ঢেকে, তারিখ লিখে এবং ৫°C বা এর নিচে রাখলে আগেই ট্রেতে সাজিয়ে রাখা যায়। পিসগুলো এক স্তরে সাজিয়ে মাঝখানে সামান্য ফাঁকা রাখুন। স্লাইস একটির ওপর আরেকটি রাখবেন না, কারণ ঢাকা অংশ রং ধরার আগেই খোলা কোণা পুড়ে যাবে। প্রতিটি ট্রে ভালোভাবে ঢেকে দিন অথবা অগভীর ফুড-সেফ বক্সে রাখুন, যাতে ব্রেড ফ্রিজের গন্ধ শুষে না নেয়।
প্রথমে সার্ভিস শুরুর সম্ভাব্য চাহিদার পরিমাণ প্রস্তুত করুন, তারপর নিয়ন্ত্রিত পরিমাণে দ্বিতীয় ব্যাকআপ ব্যাচ রাখুন। ঠান্ডা স্লাইস বেক করতে প্রায় ১ মিনিট বেশি লাগতে পারে। বাটার নরম করার জন্য লোড করা ট্রে ওভেনের পাশে রাখবেন না। এতে বাটার ব্রেডের ভেতরে ঢুকে যাবে এবং টাটকা রসুন অনিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রায় থাকবে। ভালো টেক্সচারের জন্য প্রস্তুত ট্রে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবহার করুন।
সার্ভিসের জন্য হোল্ডিং ও রিহিটিং
সেরা ক্রাস্ট ও ঘ্রাণের জন্য সদ্য বেক করা গার্লিক ব্রেড ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে বিক্রি করা উচিত। বন্ধ কনটেইনারে না রেখে মাঝারি তাপের নিচে পারফোরেটেড র্যাকে অল্প সময় হোল্ড করুন। আটকে থাকা বাষ্প ক্রাস্ট নরম করে, আর বেশি তীব্র হিট ল্যাম্প ভেতরের অংশ শুকিয়ে দেয়। হট-হোল্ডিং নিয়ম প্রযোজ্য হলে পণ্য ৬০°C-এর ওপরে রাখুন এবং কিচেনের লিখিত খাদ্যনিরাপত্তা পদ্ধতি অনুসরণ করুন।
শুধু একবার ১৮০°C তাপমাত্রায় ২ থেকে ৩ মিনিট রিহিট করুন, যতক্ষণ না ওপরের অংশ সিজল করে এবং কিনারা আবার মচমচে হয়। মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করবেন না, কারণ এতে ভেতরের অংশ রাবারের মতো এবং ক্রাস্ট নরম হয়ে যায়। বেশি উদ্বৃত্ত রেখে পরে রিহিট করার চেয়ে সাম্প্রতিক অর্ডারের গতি অনুযায়ী কয়েক মিনিট পরপর অল্প ট্রে বেক করা ভালো সার্ভিস পদ্ধতি।
পোরশন ও ইল্ড নিয়ন্ত্রণ
স্ট্যান্ডার্ড প্লেটে সমান ৫ পিস দিলে এই ব্যাচ থেকে বিক্রয়যোগ্য ৪০টি পোরশন পাওয়া যায়। প্রতিটি লোফ একই পুরুত্বের ১০ পিসে কাটুন এবং দুই প্রান্তের পিসও একই ওজনসীমার মধ্যে রাখুন। কোনো লোফ থেকে গ্রহণযোগ্য ১০ পিস না হলে সব প্লেটের পোরশন কমিয়ে না দিয়ে কম ইল্ড রেকর্ড করুন। দ্রুত কাজের জন্য ১০ গ্রামের পোরশন স্কুপ ব্যবহার করা যায়, তবে প্রতি শিফটের শুরুতে ডিজিটাল স্কেলে এর আউটপুট যাচাই করুন।
স্টাফকে ছবি দেওয়া প্লেটিং স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দিন এবং ডিপ, চিজ বা অতিরিক্ত পিস পেইড অ্যাড-অন কি না তা পরিষ্কারভাবে লিখুন। কার্যকর পোরশন কন্ট্রোল ব্যবস্থা হাতে বেশি স্প্রেড লাগিয়ে অজান্তে ব্যাচ শেষ করে ফেলা ঠেকায়। Rosuii productions-এ কাঁচামালকে প্রস্তুত গার্লিক বাটার ব্যাচে রূপান্তরের হিসাব রাখা যায়, আর ওয়েস্টেজ রেকর্ডে পোড়া বা অবিক্রীত পিস আলাদাভাবে নথিভুক্ত করা যায়।
যেসব ভুলে খরচ বাড়ে
অনিয়ন্ত্রিত স্প্রেডের ওজন, দুর্বল চাহিদা পরিকল্পনা এবং বেশি বেক করাই গার্লিক ব্রেডের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ভুল। এসব ভুলে বিক্রয়যোগ্য পোরশন তৈরি না হয়েও বাটার, ব্রেড ও ওভেনের ধারণক্ষমতা নষ্ট হয়।
- বাটার গলানো: তরল ফ্যাট ট্রেতে নেমে যায় এবং ওপরের অংশে শুকনো রসুন পড়ে থাকে।
- ভেজা হার্বস ব্যবহার: ধোয়ার পানি মিশ্রণ পাতলা করে এবং বাটার আলাদা হয়ে যেতে দেখা যায়। কাটার আগে পাতা সম্পূর্ণ শুকিয়ে নিন।
- আন্দাজে স্প্রেড লাগানো: ২০০ পিসের প্রতিটিতে মাত্র কয়েক গ্রাম পার্থক্যও পুরো ব্যাচে বড় ভ্যারিয়েন্স তৈরি করে।
- ওভেন অতিরিক্ত লোড করা: বাতাস চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে মাঝের ট্রে ফ্যাকাশে থাকে এবং বাইরের ট্রে পুড়ে যায়। ওভেনের পরীক্ষিত লোডিং প্যাটার্ন অনুসরণ করুন।
- পুরো পূর্বাভাসের পরিমাণ আগে বেক করা: অবিক্রীত বেক করা ব্রেড দ্রুত টেক্সচার হারায়। ঠান্ডা ট্রে প্রস্তুত রাখুন, তারপর প্রকৃত অর্ডার অনুযায়ী বেক করুন।
- ক্ষতিগ্রস্ত লোফ উপেক্ষা করা: কেনার ওজন ঠিক মনে হলেও চাপা বা ছোট ব্রেড বিক্রয়যোগ্য ইল্ড কমিয়ে দেয়।
পোড়া পিস, পড়ে যাওয়া পোরশন, ফেরত আসা প্লেট এবং ক্লোজিংয়ের অবশিষ্ট পণ্য আলাদাভাবে রেকর্ড করুন। এতে ওয়েস্টেজ কমানো সাধারণ নির্দেশ না থেকে পরিমাপযোগ্য কিচেন টাস্কে পরিণত হয়।
খরচ ও মার্জিন স্থিতিশীল রাখা
গার্লিক ব্রেডের খরচ স্থিতিশীল রাখতে লোফের ওজন, স্প্রেডের ওজন এবং বিক্রয়যোগ্য ইল্ড নির্দিষ্ট রাখা জরুরি। সাধারণত বাটার ও ব্যাগেটের খরচই সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। রসুনের সরবরাহ এবং বাটারের ব্র্যান্ড বদলালেও খরচ নড়ে। শুধু ক্রয় ইউনিট দেখে নয়, প্রতি লোফের ব্যবহারযোগ্য ইল্ড এবং বাটারের কার্যকারিতা দেখে সাপ্লায়ার তুলনা করুন।
ব্যাচ থেকে ধারাবাহিকভাবে গ্রহণযোগ্য ২০০ পিস পাওয়া গেলেই ৪০ প্লেট ধরে কস্টিং তৈরি করুন। স্বাভাবিক উৎপাদন লস অন্তর্ভুক্ত করুন, কিন্তু এড়ানো সম্ভব এমন পোড়া পণ্য বা অতিরিক্ত পোরশনকে স্ট্যান্ডার্ড লসের মধ্যে লুকাবেন না। সাপ্লায়ার, লোফের আকার, বাটারের প্যাক বা সার্ভিংয়ের পরিমাণ বদলালে রেসিপি কস্টিং পর্যালোচনা করুন। প্রত্যেক কুক একই স্পেসিফিকেশন অনুসরণ করলেই এই সাধারণ সাইড আইটেমের মার্জিন ঠিক থাকবে।
খরচ কোথায় বাড়ে
এই খাবারের খরচে বাটার ও ব্যাগেটের প্রভাব সবচেয়ে বেশি। তাই বাটারের গ্রেড, লোফের ওজন এবং সাপ্লায়ারের ধারাবাহিকতা বদলালে খরচ সবচেয়ে বেশি নড়ে। টাটকা রসুনের খরচ মৌসুম অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে, আর ভুল ট্রিমিং ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্রেড ব্যবহারযোগ্য ইল্ড কমায়। প্রতি পিসে নির্দিষ্ট ১০ গ্রাম স্প্রেড এবং প্রতি লোফে গ্রহণযোগ্য ১০ পিস নিশ্চিত করলে খরচ স্থিতিশীল থাকে।
বাজারদর ওঠানামা করে, তাই এখানে টাকার অঙ্ক না দিয়ে খরচ কীসে বাড়ে-কমে সেটা বলা হয়েছে।
রান্নাঘর থেকে আসা প্রশ্ন
ভিন্ন সংখ্যক প্লেটের জন্য এই গার্লিক ব্রেড রেসিপি কীভাবে স্কেল করব?
প্রস্তুত গার্লিক ব্রেডের ট্রে কতক্ষণ রেফ্রিজারেটরে রাখা যাবে?
বাটার বা পার্সলের বদলে কী ব্যবহার করা যায়?
বাল্ক গার্লিক বাটার কত দিন রাখা যায়?
এই ব্যাচ থেকে ৪০ প্লেটের কম হচ্ছে কেন?
সম্পর্কিত রেসিপি
কমার্শিয়াল চিকেন মোমো রেসিপি
প্রায় ২০০টি চিকেন মোমোর কমার্শিয়াল রেসিপি, যেখানে নির্দিষ্ট ওজনের খোল ও রসালো পুর, দ্রুত ভাঁজ, ব্যাচ স্টিমিং, ফ্রিজিং এবং চাটনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণের নিয়ম রয়েছে।
- পরিমাণ:
- প্রায় ৪০ প্লেট
- মোট:
- ৩ ঘণ্টা ৩০ মিনিট
- কঠিনতা:
- মাঝারি
ক্রিমি চিকেন পাস্তা
৪০ প্লেটের এই কমার্শিয়াল চিকেন পাস্তা রেসিপিতে পার-কুকড পাস্তা, বাল্ক ক্রিমি সস এবং সার্ভিসের সময় দ্রুত অর্ডারপ্রতি ফিনিশিংয়ের পদ্ধতি দেওয়া হয়েছে।
- পরিমাণ:
- প্রায় ৪০ প্লেট
- মোট:
- ১ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট
- কঠিনতা:
- মাঝারি
কমার্শিয়াল চিকেন প্যাটিস রেসিপি
৪০টি মচমচে বেকারি চিকেন প্যাটিস তৈরির কমার্শিয়াল রেসিপি, যেখানে নিয়ন্ত্রিত লেমিনেশন, শুকনা ফিলিং, দ্রুত শেপিং ও ফ্রিজার স্টক তৈরির পদ্ধতি রয়েছে।
- পরিমাণ:
- ৪০টি মাঝারি চিকেন প্যাটিস
- মোট:
- ৩ ঘণ্টা ২৫ মিনিট
- কঠিনতা:
- কঠিন
রসুই দিয়ে আপনার রেস্টুরেন্ট চালান
পিওএস, মেনু, ইনভেন্টরি, পে-রোল এবং আরও অনেক কিছু — বাংলাদেশের রেস্টুরেন্টের জন্য তৈরি।
শুরু করুন

